শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২০

ইংরেজী দক্ষ নন বলেই পাশের দেশ ভারতে গিয়ে উচ্চ শিক্ষার মূল্য দিতে হচ্ছে

কথায় বলে, বাঙ্গালী ফ্রি তে আলকাতরাও হজম করে। কিন্তু একটি বিষয়ে বাঙ্গালী টাকা খরচে খুব উদার। তা হলো জাল সার্টিফিকেট কেনা। টাকা পয়সা খরচ করে জাল সার্টিফিকেট কিনবে কিন্তু বিনা খরচে পড়াশুনা করবে না। পরীক্ষার আগে ফেসবুকে রোমিং, ফটোকপির দোকানে ভিড় করবে প্রশ্ন কেনার জন্য। এই অভ্যাসটা কমার কোন লক্ষন দেখা যাচ্ছে না।

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ অনলাইন এডুকেশনে যেখানে এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে আমরা লাইনের শেষ মাথায় দাঁড়িয়ে মাথা চুলকায়ে এখনো চিন্তা করি করবো কি করবো না? কি লাভ হবে? আর এক ধরনের মুরব্বি আছে, যারা নিজেরাও করবে না, আবার অন্যকে সরাসরি নিরুৎসাহিত করবে।
কেউ কেউ আবার মনে করে বিনা মুল্যের কোর্স আর কতটুকু মূল্য হবে? তখন এই ধরনের বেকুবের মতো চিন্তা যাদের মাথায় আসে, তাদের জন্য আমার খুব করুনা হয়। বিনামুল্যে কোন অনলাইন কোর্স নাই। যে অনলাইন কোর্স আপনি বিনামুল্যে করছেন, তা কিন্তু কোন না কোন দাতা সংস্থা আপনার জন্য কোর্স প্রোভাইডারকে মূল্য পরিশোধ করছেন। যেমন গ্লোবাল হেলথ ই-লারনিং সেন্টারকে ইউএস এইড এবং গ্লোবাল হেলথ নেটওয়ার্ক কে বিল গেইটস ফাউন্ডেশন অর্থ সাহায্য প্রদান করেন। এই কারনে বিশ্ব মানের এই কোর্স গুলোর জন্য আপনাকে কোন মুল্য পরিশোধ করতে হয় না।
অনলাইন এডুকেশন নিয়ে যখন লিখি, তখন আমার মনে হয় না, আপনারা কেউ ইন্টারনেটে এর এডভেন্টেইজ ডিস-এডভেন্টেইজ গুলো সার্চ করেন। সময় কোথায়? অনলাইন এডুকেশন নিয়ে বিশ্ব বিখ্যাত Forbes ম্যাগাজিনের এই আর্টিকেলটি পড়ুন।

The Future Of Massively Open Online Courses (MOOCs)

https://www.forbes.com/sites/quora/2017/03/23/the-future-of-massively-open-online-courses-moocs/#4d78ddc96b83

IELTS নিয়ে আপনাদের অনেকের জানার শেষ নেই।

IELTS Academic Test Preparation

Prepare for the IELTS Academic tests in this comprehensive, self-paced course covering listening, speaking, reading and writing.
https://www.edx.org/course/ielts-academic-test-preparation-0
Learn English with Let’s Talk – Free English Lessons
https://www.youtube.com/user/learnexmumbai
BBC Learning English
https://www.youtube.com/user/bbclearningenglish
IELTS Liz
https://www.youtube.com/user/ieltsliz
Learn English Lab
https://www.youtube.com/channel/UCImiNBzWUNuHBm95F8SyMYA
Learn English with EnglishClass101.com
https://www.youtube.com/user/ENGLISHCLASS101
Rachel’s English
https://www.youtube.com/user/rachelsenglish?feature=watch
mmmEnglish
https://www.youtube.com/channel/UCrRiVfHqBIIvSgKmgnSY66g

ইংরেজী আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। ইংরেজী না জানার কারনে ভালো ভালো সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি নিয়মিত। ইংরেজীতে ভালো স্কোর থাকলে আপনার চিন্তা হতো আস্ট্রেলিয়া, কানাডা কিংবা ইউকে তে উচ্চ শিক্ষা নিয়ে। ইংরেজী দক্ষ নন বলেই পাশের দেশ ভারতে গিয়ে উচ্চ শিক্ষার মূল্য দিতে হচ্ছে।
অনলাইন এডুকেশন এর কারনে আজ হার্ভার্ড, এমআইটি, টিউলেন সহ বিশ্ববিখ্যাত ইউনিভার্সিটির অধ্যাপকদের লেকচার বিনামুল্যে শুনতে পারছেন। তাদের পড়াশুনার সব নিয়ম কানুন জানতে পারছেন।
সিদ্ধান্ত আপনার। বিনা পয়সায় হার্ভার্ড, এমআইটি, টিউলেন সহ বিশ্ববিখ্যাত ইউনিভার্সিটির অধ্যাপকদের লেকচার শুনবেন, নাকি পয়সা খরচ করে দেশসেরা অধ্যাপকের চা সিংগারা চপের গল্প শুনবেন।

শুভকামনা
এডমিন, নো পে এমপিএইচ 
Syed Jahed Hossain

সব উচ্চ শিক্ষা সম্মান বাড়ায়, কিন্তু সব উচ্চ শিক্ষা উপার্জন বাড়ায় না।

সব উচ্চ শিক্ষা সম্মান বাড়ায়, কিন্তু সব উচ্চ শিক্ষা উপার্জন বাড়ায় না।

উচ্চ শিক্ষা মানে শুধু সার্টিফিকেট অর্জনের জন্য নয়, এমন বিষয় বেছে নিন, যা আপনাকে ভবিষ্যতে ভালো আয়ের সুযোগ দিবে। আমাদের সবার মুল উদ্দেশ্য কিন্তু উপার্জন। এইটুকু ভেবেই সাবজেক্ট পছন্দ করুন।
  • এমপিএইচ ভর্তির আগে ভালো করে ভাবুন, কোথায় কোথায় কাজের সুযোগ পাওয়া যাবে।
  • অপ্টোমেট্রি তে উচ্চ শিক্ষা নেওয়ার আগে দেখুন বৈধ ভাবে প্রাকটিস করতে পারবেন কিনা?
  • সাইকোথেরাপি অনেক ভালো সাবজেক্ট। কাজের সুযোগ প্রচুর। তেমনি ফিজিওথেরাপিতেও ভালো সুযোগ আছে।
  • কেউ যদি বিদেশে ডিগ্রী অর্জন করতে চান, তাহলে এমন বিষয় পছন্দ করুন, যা আপনাকে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইউ কে তে স্থায়ী বসবাসের জন্য সুযোগ করে দিবে।
আরো অনেক সাবজেক্ট এ পড়াশুনা করতে পারেন। অন্যের দেখাদেখিতে উচ্চ শিক্ষা নয়, ভিজিটিং কার্ড প্যাডে ব্যবহারের জন্য উচ্চ শিক্ষা নয়, উচ্চ শিক্ষা হোক আপনার ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলা।
মোটকথা পা বাড়ানোর আগেই চিন্তা করবেন, কত খরচ করছেন, কত উঠে আসবে, কত লাভ পাবেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য কি সঞ্চয় করতে পারবেন। সব উচ্চ শিক্ষা সম্মান বাড়ায়, কিন্তু সব উচ্চ শিক্ষা উপার্জন বাড়ায় না।

 Blog Writer : Syed Jahed Hossain

বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২০

কি কি প্রয়োজনে আমাদের উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করতে হবে?

কি কি প্রয়োজনে আমাদের উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করতে হবে?

বর্তমান সময়ে উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন দেখেন না, এমন কাউকে পাওয়া যাবে না। শিক্ষা মানুষের অধিকার ও জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। আর উচ্চ শিক্ষা মানুষের সুন্দর ভবিষ্যত গড়ার স্বপ্ন। আমরা সবাই উচ্চশিক্ষা গ্রহণের আপ্রাণ চেষ্টা করি। উচ্চ শিক্ষা কারো কাছে ফ্যাশন, কারো কাছে নিজের আত্মপ্রচার, কারো কাছে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি, কারো কাছে বিজনেস কার্ডে নিজের নামের সাথে জুড়িয়ে দেওয়া। কিন্তু উচ্চ শিক্ষার আসল মর্মার্থ অনেকে অনুধাবন করতে পারেন না। 

১.  মানুষ হিসেবে জন্মগ্রহন করুন, পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে পুনজন্ম লাভ করুন

মানুষ হিসেবে জন্ম নিলেও পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে জন্ম নেওয়াটা খুব কঠিন। পরিপূর্ণ মানুষ হতে হলে আপনার জন্য শিক্ষার অবশই প্রয়োজন আছে। তাই মানুষ হয়ে জন্মগ্রহন করলেও পরিপূর্ণ মানুষ হতে কঠিন সাধনার প্রয়োজন হয়। তা হলো শিক্ষা।  কারণ শিক্ষায় লুকিয়ে আছে একজন শিক্ষিত পরিপূর্ণ মানুষ হওয়ার মূলমন্ত্র। বিশ্বের সাথে এগিয়ে যেতে হলে আপনাকে অবশ্যই পড়াশুনা করতে হবে, এবং অন্যদের চেয়ে এগিয়ে যেতে হলে আপনার পড়শুনার মান উন্নত ও শক্তিশালী হতে হবে যা আপনাকে একজন পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবে।

২. নিজের বিবেককে জাগ্রত করুন

বিচার বুদ্ধির ক্ষমতাকে সুষ্ট ভাবে কাজে লাগিয়ে বিবেককে জাগ্রত করতে হলে উচ্চশিক্ষা অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে। নিজেকে ও বিশ্বকে জানার পরিধি বাড়াতে হবে,  তাই উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। শিক্ষার মান যতই উপরের লেভেলে নিয়ে যাবেন, ততই নতুন কিছু ভিন্ন ভিন্ন জানতে পারবেন, আর এই জানাটাই আপনার বিবেকের সুষ্ট বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করবে।

৩. আত্মউপলব্ধি ও আত্নউন্নয়ন

প্রতিটি মানুষেই নিজেকে আপডেট ও আপগ্রেট হিসেবে দেখতে চায়। আপগ্রেট ও আপডেট থাকতে চাইলে উচ্চ শিক্ষার কোন বিকল্প নাই। মনে রাখবেন, লেখাপড়া ছাড়া কখনো উন্নতি সম্ভব নয়, উচ্চশিক্ষা ছাড়া উন্নত জীবন উপলব্ধি করতে পারবেন না। নিজেকে সবসময় সংকীর্ণ ভাবতে হবে। উচ্চ শিক্ষা আত্মউপলব্ধির জন্ম দেয়, আর আত্মউন্নয়ন নিজের মনের সংকীর্ণতা পরিহার করে।  সেজন্য যতদূর সম্ভব পড়াশুনায় এগিয়ে থাকুন, বেশি বেশি জানুন, জ্ঞান অর্জনকে প্রধান্য দিন সবসময়।

৪. সৃজনশীলতার বিকাশ

সৃজনশীলরাই সমাজে সবসময় পুজনীয়। সৃজনশীলতার বিকাশে শিক্ষার কোন বিকল্প নাই। আর উচ্চ শিক্ষা সৃজনশীলতাকে এগিয়ে নিয়ে যায়।  আপনার সৃষ্টির জগত, চিন্তা চেতনা, মনন, মেধাকে আরো শক্তিশালী করতে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হোন। লেখাপড়া করুন, সবসময় বই পত্র ঘাটাঘাটি করুন। নিজের বাসায় চাইলে ছোট্ট একটা লাইব্রেরী বানাতে পারেন। লাইব্রেরীতে বিশ্বের সকল সৃজনশীল ও পরিশ্রমী ব্যক্তিদের জীবনী রাখুন, একেক দিন এক একটা জীবনী পড়ুন। এই জীবনী গুলো আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।

৫. শুধু মোবাইল ফোন স্মার্ট হবে কেন, শিক্ষা জীবনও স্মার্ট হোক

আমরা সবসময় সময়ের সাথে তাল মিলানোর জন্য আপগ্রেট স্মার্ট ফোন এর জন্য অপেক্ষা করি। আপগ্রেট স্মার্ট ফোন ছাড়া নিজেকে আন-স্মার্ট মনে হয়। অন্যের চোখ দিয়ে যখন নিজেকে দেখি, তখন অন্যের সাথে তফাতটাও বুঝতে পারি। ফোনের মতো নিজের শিক্ষা জীবনকে আপগ্রেট করে স্মার্ট থাকুন।  একটি স্মার্ট ফোনের ক্রয় মূল্য ও সেবা মূল্য যেমন আপনি বুঝেন, আপনার উচ্চতর পড়াশুনার মূল্যও সমাজ  পরিবার বুঝবে আপনার চেয়েও বেশী। তাই যতটুকু সম্ভব উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যান।

৬. অন্যদের অভিজ্ঞতার সাথে নিজের জ্ঞানের সমন্বয়

উচ্চ শিক্ষা আপনাকে অন্যদের অভিজ্ঞতা থেকে নিজের জ্ঞানের সমন্বয় সাধনে সাহায্য করবে। আপনি লাইব্রেরীতে অনেক বই পাবেন, অনেক জ্ঞানী ব্যক্তিদের সান্নিধ্য লাভ করবেন। পৃথিবীর প্রত্যেকটি মানুষই আলাদা আলাদা অভিজ্ঞতা ও প্রতিভা সম্পন্ন। তাদের সান্নিধ্য পেতে হলে অবশ্যই আপনাকে তাদের সমকক্ষ না হোন, তাদের লেবেলের কাছাকাছি হলেও উচ্চতর শিক্ষা গ্রহন করতে হবে। তাদের অভিজ্ঞতায় আপনার শিক্ষার সমন্বয় করে আপনার প্রতিভার বিকাশ ঘটানোর জন্য উচ্চ শিক্ষা একান্ত জরুরী।

৭. অন্যকে জ্ঞান দানে আনন্দিত হোন

আমাদের জীবনের কোন না কোন পর্যায়ে কারো সামনে একবার নয় বহুবার নিজের আজান্তে শিক্ষক হিসেবে আবির্ভূত হই। যে শিক্ষা দানে আনন্দ পায়, সে অন্যকেও আনন্দ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।  যখন কাউকে আপনি কোন টপিক বুঝিয়ে দিবেন কিংবা আপনার কাছে কোন টপিক বুঝতে আসবে, মনে রাখবেন নিজেকে সেই টপিক সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান আহরন করতে হবে। টপিক সম্পর্কে যে কোন প্রশ্নের উত্তর রেফারেন্স সহ দেওয়ার ক্ষমতা থাকতে হবে। এতে আপনি অন্যকে পড়িয়ে যে রকম আনন্দ লাভ করবেন, অন্যরা আপনার কাছ থেকে শিখে সেই রকম আনন্দ পাবেন। তাই উচ্চ শিক্ষা লাভ করে নিজে বেশী বেশী জানুন আর অন্যকে সেইটা বুঝিয়ে জানিয়ে আনন্দ লাভ করুন।

৮. যোগাযোগের দক্ষতা বৃদ্ধি

যতই উচ্চ শিক্ষিত হবেন ততই সামাজিক ও বৈশ্বিক যোগাযোগে আপনি এগিয়ে থাকবেন। উচ্চ শিক্ষা আপনার যোগাযোগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে। আপনি যোগাযোগ বৈকল্য নিয়ে আলোচনা করুন, বিভিন্ন দেশের ভাষা সম্পর্কিত জ্ঞান অর্জন করুন। যার ফলে আপনি যেকোন দেশের সাথে সহজেই যোগাযোগ করতে পারবেন, যেকোন দেশের মানুষের সাথে খুব সহজেই দ্বিধাহীন কথা বলতে পারবেন।

৯. কল্পনাশক্তির উন্নয়ন

প্রতিটি মানুষই কল্পনা করার ক্ষমতা রাখে। সবার কল্পনাশক্তি যেমন এক নয়, তেমনি সবার কল্পনার মানও একনয়। উচ্চতর পড়াশুনা আপনার কল্পনার জগতকে বাস্তবে পরিণত করার রাস্তা খুঁজে দিবে। অন্যরা যা কল্পনা করে, আপনারটা তাদের চেয়েও ভিন্ন হবে। কারণ আপনি পড়াশুনায় জ্ঞান অর্জনে তাদের চেয়ে এগিয়ে আছেন। আপনার কল্পনাকে আপনার গাইড ভাবুন, এই গাইডকে যতবেশি শক্তিশালী করবেন আপনি তত বেশি আত্নপ্রত্যয়ী ও দূরদর্শিতা সম্পন্ন হবেন এবং অন্যের চেয়ে এগিয়ে থাকবেন।

১০. বিনয়ী, সহনশীল ও ধৈর্য্যশীল হতে সাহায্য করে

উচ্চতর পড়াশুনা আপনাকে বেশী বেশী বিনয়ী, সহনশীল ও ধৈর্য্যশীল হতে সাহায্য করবে। জ্ঞানী মানুষ কখনো ধৈর্য্য হারায় না, বিপদ আপদ খুব সহজে মোকাবিলা করতে পারে। আপনি যতই পড়াশুনায় এগিয়ে থাকবেন, আপনি ততই বিনয়ী হবেন। আপনি যতই বিনয়ী হবেন, আপনার সামজিক মর্যাদা ততই বাড়বে। তাই বিনয়ী, সহনশীল ও ধৈর্যশীল হতে হলে আপনাকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। 
 
 উইলিয়াম শেকসপিয়র বলেছেন "সাফল্যের ৩ টি শর্ত" :

১) অন্যের থেকে বেশি জানুন। ২) অন্যের থেকে বেশী বেশী পরিশ্রম করুন। ৩) অন্যের থেকে কম আশা করুন।

Blog Writer : Syed J Hossain 

নিউট্রিশনিস্ট হতে চাই

নিউট্রিশনিস্ট হতে চাই

নিউট্রিশনিস্ট কি? এই নিয়ে কোন আলোচনার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। এই বিষয়টি সবাই জানেন। বিশেষ করে যারা নিজেদের ক্যারিয়ার নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে গড়তে চান কিংবা যারা এখন নিউট্রিশনে পড়াশুনা করছেন, তারা আমার চেয়েও অনেক অনেক বেশী জানার কথা। 

একজন নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে আপনার কাজ কোথায় কোথায় হতে পারে?

• হাসপাতাল; 
• মেডিকেল সেবাদান প্রতিষ্ঠান; 
• চিড়িয়াখানা; 
• পশুপালন প্রতিষ্ঠান; 
• পোল্ট্রি ফার্ম ও ডেইরী ফার্ম; 
• এগ্রো ফিশারিজ কোম্পানি; 
• নিউট্রিশন ভিত্তিক কোম্পানি; 
• স্বাস্থ্যভিত্তিক বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা; 
• কমিউনিটি নিউট্রিশন নিয়ে কাজ করে এমন প্রতিষ্ঠান।

একজন নিউট্রিশনিস্ট কী ধরনের কাজ করেন?

• পুষ্টি ঘাটতিজনিত সমস্যার সমাধান দেওয়া ;
• পরিমিত খাদ্য পরিকল্পনা নির্দিষ্ট করা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া;
• গরু-ছাগল, মাছ, মুরগি সহ অন্যান্য গবাদি পশুর প্রয়োজনীয় পুষ্টির জন্য খাদ্যতালিকা তৈরি করা এবং এই বিষয়ে যথাযথ পরামর্শ দেওয়া;
• চিড়িয়াখানা অথবা পশুপালন প্রতিষ্ঠানে বিরল প্রজাতির প্রাণীসহ সকল ধরনের জীবের পুষ্টির বিষয় খেয়াল রাখা এবং খাদ্যের তালিকা সে অনুযায়ী নির্দিষ্ট করা;
• স্বাস্থ্যভিত্তিক বেসরকারি সংস্থার ক্ষেত্রে খাদ্য ও পুষ্টিবিষয়ক পরামর্শ এবং সে অনুযায়ী অনুদান ও ত্রাণসংক্রান্ত সহায়তার ক্ষেত্রে মান নিশ্চিত করা;
• কারো কোন পুষ্টি ঘাটতি আছে কিনা তা পরীক্ষা কিংবা কথাবার্তার মাধ্যমে অনুমান করা এবং সেই অনুযায়ী পথ বাতলে দেয়া।

একজন নিউট্রিশনিস্ট কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?

নিউট্রিশনিস্ট হওয়ার জন্য সাধারণত নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সায়েন্স বিষয়ে স্নাতক বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রির প্রয়োজন হয়। তবে এক্ষেত্রে বিষয়টি কাজ ও প্রতিষ্ঠানসাপেক্ষ। যেমনঃ কোন কোন প্রতিষ্টানের ক্ষেত্রে নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সায়েন্স এর কোন ডিগ্রির প্রয়োজন নেই। যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি থাকলেই চলবে। আবার এপোলো সহ কয়েকটি বিশেষায়িত হাসপাতালে নিয়োগের ক্ষেত্রে নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সায়েন্স-এ মাস্টার্স ডিগ্রি আবশ্যক। আবার কিছু কিছু প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিয়োগের জন্য শুধুমাত্র নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড সায়েন্স-এ অনার্স ডিগ্রি থাকা জরুরী। কোন কোন এনজিওতে নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে নিয়োগের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ চাওয়া হয়।

একজন নিউট্রিশনিস্ট কী ধরনের দক্ষতা ও জ্ঞান থাকতে হয়?

• পুষ্টি ও নিউট্রিশন বিষয়ে সম্যক ধারণা থাকতে হয়;
• যে ধরনের ইন্ডাস্ট্রিতে আপনি কাজ করছেন সেই নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় তথ্য ও জ্ঞান থাকা জরুরী;
• বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানের জন্য কীভাবে আপনার পুষ্টি বিষয়ক জ্ঞান কাজে লাগানো যায় সে ব্যাপারে চিন্তা করা জরুরী;
• আপনার কাছে পুষ্টি বিষয়ক পরামর্শ চাইতে এসেছেন এমন কারো সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করা জরুরী।

নিউট্রিশনিস্ট ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে?

নিউট্রিশনিস্ট বাংলাদেশের জন্য এখনো নতুন বিষয়। চাকরির ক্ষেত্রে পদোন্নতির ব্যাপারটি খুব একটা প্রচলিত নয়। বরং সময়ের সাথে আপনার অভিজ্ঞতা বাড়তে থাকলে এক্ষেত্রে মাসিক আয় সময়ের সাথে বাড়ানো হয়। নিউট্রিশন কনসালট্যান্ট হিসেবে চাকরি শুরু করার পরে সর্বোচ্চ কোন পদ আর নেই। যদি আপনার মনে হয় আপনি পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন সেক্ষেত্রে আপনি ব্যক্তিগত চেম্বারের দিকে এগোতে পারেন যা হতে পারে খুবই লাভজনক। কিছু কিছু ক্ষেত্রে একজন নিউট্রিশনিস্ট পদোন্নতির মাধ্যমে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা অথবা হেলথ পলিসি অ্যাডভাইজর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। অনেকে পুষ্টি বিষয়ে নিজের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে কোন খাদ্যপণ্য তৈরি ও পুষ্টিসম্মত খাদ্য বিক্রয়ের ব্যবসায় নিয়োজিত হতে পারেন।

তবে একজন নিউট্রিশনিস্ট চাইলে নিজের আলাদা করে চেম্বার দিতে পারেন চিকিৎসকদের মত। যদি তিনি মনে করেন তার যোগ্যতা ও যথেষ্ট সামর্থ্য আছে তাহলে সেক্ষেত্রে তিনি নিজ উদ্যোগে ব্যক্তিগত পুষ্টি বা নিউট্রিশন পরামর্শ প্রদানের লক্ষ্যে একটি চেম্বার দিতে পারেন। 

মনে রাখবেন, একজন ডাক্তার নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে প্র্যাকটিস করতে পারেন, কিন্তু একজন নিউট্রিশনিস্ট ডাক্তার হিসেবে প্র্যাকটিস করতে পারেন না। তাই নিউট্রিশনে যতই উচ্চতর ডিগ্রী আপনার থেকেই থাকুক, মেডিসিনে ডিগ্রী না থাকলে আপনি ডাক্তার নন, শুধু নিউট্রিশনিস্ট। তাই নামের পূর্বে ডাক্তার লিখে কোন পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই যদি আপনি নিজের চেম্বার দিয়ে দেন সেক্ষেত্রে এর পরিণাম বেশ ভয়াবহ হতে পারে এবং আপনাকে চরম মূল্য দিতে হতে পারে।

নিউট্রিশন নিয়ে পড়াশুনাঃ

কিছু কিছু প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ফুড এন্ড নিউট্রিশন নিয়ে অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স চালু আছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়েও ফুড এন্ড নিউট্রিশনে Master of Advanced Studies (MAS) কোর্স চালু আছে। এই কোর্সটিতে আবেদন করতে হলে আপনাকে কিছু নিয়ম কানুন ফলো করতে হবে। এই লিংকে দেখে নিনঃ


এছাড়াও নিউট্রিশন নিয়ে ফ্রি শর্ট কোর্স করতে পারেন। যা আপনাকে পরিপূর্ণ একটি ডিগ্রী না দিলেও কিছু আন্তর্জাতিক মানের সনদ আপনি পাবেন। এই সনদগুলো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় কাজের সুযোগ করে দিবে। বিদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করতে চাইলে ভিসা আবেদন সহজ করে দিবে। 
দেখে নিন নিউট্রিশন নিয়ে কি কি শর্ট কোর্স আছেঃ


আমরা নিউট্রিশনিস্ট হতে চাই, সার্টিফিকেট, ডিগ্রী চাই, কিন্তু পড়াশুনা কয়জন করতে চাই??!!

ডিগ্রী অর্জন করতে দুই থেকে চার বছর সময় আপনার লাগবেই। এই সময়টুকুতে শর্ট কোর্স আপনাকে নিয়ে যেতে পারে আপনাকে ক্যারিয়ারের গঠনের প্রথম ধাপে। তাই সময় সুযোগ নষ্ট না করে প্রতিদিন এক এক করে শেষ করুন নিউট্রিশনের শর্ট কোর্স গুলো। মনে রাখবেন জ্ঞান এমন এক সম্পদ, যা চুরি করে নেওয়ার ক্ষমতা কারো নাই। 

Blog Writer : Syed J Hossain 

বিদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করতে চাই

বিদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করতে চাই

উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশ পছন্দ করেন না, এমন কাউকে আজ পর্যন্ত আমি পাইনি। শুধু  স্বপ্নে উচ্চ শিক্ষায় বিদেশ দেখলেই হবেনা, এর জন্য অধ্যাবসায়, লক্ষ্য স্থির ও কিছু নিয়ম কানুন ফলো করতে হবে।

উচ্চ শিক্ষায় বিদেশ যেতে চাইলে কিছু বিষয় গভিরভাবে ভেবে নিনঃ

১) কোন দেশে ভালো হবে?
উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে আমি কানাডা, ইউকে, জার্মান, ফিনল্যান্ড, সুইডেন, নরওয়ে, হল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড কে প্রধান্য দিয়ে থাকি বেশী। কেন প্রধান্য দিই তার উত্তর একটি সময় পরে পেয়ে যাবেন।

২) কোন বিষয়ে পড়বো?

এমন বিষয় বেছে নিবেন, যে বিষয়ে আপনার ভিসা আবেদন সহজে লভ্য হয়ে, টিউশন ফি কম, পড়াশুনা শেষে সেই দেশে থাকার জন্য সুযোগ পাবেন। কারণ আমার মতে যারা উচ্চ শিক্ষায় বিদেশে যান, খুব কম মানুষই দেশে ফিরে আসেন। আমাদের মতো মধ্যবিত্তের উচিতই নয় দেশে ফিরে আসা। কারণ এই দেশে কাজের চেয়ে অকাজের সুযোগ মিলে বেশী। হয়ত আপনার গ্রাজুয়েশনকে কেউ মূল্যায়ন নাও করতে পারে।

৩) কাজের সুযোগ সুবিধা কেমন?

এমন দেশে বেছে নিবেন, যেখানে পড়াশুনার পাশাপাশি কাজের সুযোগ পাওয়া যাবে। দেশ থেকে টাকা নিয়ে বিদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করার মত অবস্থা আমার মতো অনেকের নেই। যদি আপনার সামর্থ্য থাকে, তা হলো ভিন্ন কথা।

৪) স্কলারশীপ আছে কি?

স্কলারশীপ এর ব্যবস্থা করতে পারলে ভালো। স্কলারশীপ নির্ভর করবে আপনার আগের পরীক্ষার ফলাফলের উপর। স্কলারশীপ পেলে পার্ট টাইম কাজের সুযোগ পাবেন না।

৫) পড়াশুনা শেষে স্থায়ী হওয়ার কোন সুযোগ আছে কি?

আপনার পড়াশুনার পর আপনি কি স্থায়ী ভাবে সেই দেশে বসবাসের সুযোগ পাবেন কিনা, তাও ভেবে দেখবেন। কারণ একবার আপনি বিদেশী সংস্কৃতি ও পরিবেশে অভ্যস্থ হয়ে গেলে, দেশে ফিরে কোন কিছু করা আপনার কাছে চ্যালেঞ্জিং হয়ে যাবে। তাই এমন দেশ পছন্দ করুন যেখানে স্থায়ী ভাবে বসবাসের অনুমতি পাবেন এবং এমন বিষয় নির্বাচন করুন যা আপনাকে স্থায়ী ভাবে বসবাসের সুযোগ পেতে সাহায্য করবে।
উপরের এই পাঁচটি বিষয় মাথায় রেখে আপনি এগোতে পারেন।
অনেক বিষয়ে আপনি পড়াশুনা করতে পারবেন। কিন্তু খুব সহজে ভিসা প্রাপ্তি, এবং টিউশন ফি ও কাজের সুযোগ বিবেচনা করে, যে সহজ বিষয়গুলোতে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করলে স্থায়ী ভাবে বসবাসের সুযোগ পাবেন

১) নার্সিং ২) প্যারামেডিসিন ৩) সোশ্যাল ওয়ার্ক ৪) মিডওয়াইফ ৫) সাইকোলজি ৬) ফিজিশিয়ান এসিসটেন্ট।

উপরে উল্লেখিত বিষয় গুলো ছাড়া অন্য কোন বিষয় নিয়ে আমাকে প্রশ্ন করবেন না। কারণ আমি এই শুধু এই বিষয়গুলো নিয়েই জানি।

কিছু ব্যাপার লক্ষ্য করুনঃ

১) ব্রিটিশ কাউন্সিল, আইডিপি, গুয়েত ইউনিস্টিটিঊট, অলিয়েন্স ফ্রসেঞ্জ ছাড়া অন্য কোন এজেন্টের সাথে উচ্চ শিক্ষা বিষয়ে যোগাযোগ করবেন না। কারণ এই চারটি ছাড়াও আরো কয়েকটি সংস্থা আছে যারা নিয়মিত উচ্চ শিক্ষা বিষয়ে সুপরামর্শ দিয়ে থাকে। তবে এই চারটি সংস্থায় আগে যোগাযোগ করুন।
২) উচ্চ শিক্ষায় বিদেশ যেতে চাইলে উন্নত দেশগুলোতে ইংরেজী শিক্ষার দক্ষতার পরীক্ষা দিতে হয়। এই পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট পেতে হলে আপনাকে কমপক্ষে ছয় মাস ইংরেজী শিক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে। ব্রিটিশ কাউন্সিল হচ্ছে সবচেয়ে বেস্ট। এরপর এক্সিকিউটিভ কেয়ার। অন্য গুলো সম্পর্কে আমার জানা নেই।
৩) আপনাকে ব্যাংক সলভেন্সি দেখাতে হবে। আপনার যদি টাকা পয়সা নাও থাকে, কোন কোন ব্যাংক ম্যানেজার কিছু টাকার বিনিময়ে এউ সলভেন্সি সার্টিফিকেট দিয়ে থাকেন। আপনি তা সংগ্রহ করতে পারেন। এই রকম কোন ব্যাংক ম্যানেজারের সাথে আমার জানাশুনা নাই।
৪) উপরে উল্লেখিত দেশ ছাড়াও যদি অন্য দেশে যেতে চান, তাহলে আমি এই বিষয়ে আপনাকে ধারনা দিতে পারবো না।
৫) বিদেশে এমপিএইচ পড়তে চাইলে নিজ দায়িত্বে পড়বেন, কারণ এমপিএইচ এর কাজের সুযোগ খুবই কম। যা আছে, সেই গুলো ব্রিলিয়ান্টদের দখলে।

Blog Writer : Syed J Hossain


হেলথ ছাড়া অন্য কোন বিষয়ে মাস্টার্স করতে চাই

হেলথ ছাড়া অন্য কোন বিষয়ে মাস্টার্স করতে চাই

গ্রুপের অনেক ভাই বোন আছেন যারা ইতিমধ্যে ব্যাচেলর কমপ্লিট করেছেন। অনেকে মাস্টার্স এর বিষয়ে আগ্রহী। হেলথ রিলেটেড মাস্টার্স প্রোগ্রাম খুব একটা প্রতুল নয়। যেই সব মাস্টার্স প্রোগ্রাম চালু আছে তা বেশীরভাগ প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি থেকে করতে হয়। প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে উচ্চ টিউশন ফি দিয়ে পড়াশুনার সামর্থ্য কয়জনের আছে!!! আমি নিজেও প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে যাওয়ার সাহস করি না।
আপনার আমার জন্য স্মার্টলি এমবিএ একমাত্র ভরসা। কোন প্রকার টিউশন ফি দেওয়ার ঝামেলা নেই। ১০০ ভাগ ফ্রি এবং অনলাইনে।

স্মার্টলি এমবিএ কেন করবেন?

১) যদি আপনি ডিপ্লোমা ডক্টর পেশাকে মুল পেশা হিসেবে গ্রহন করেন
২) আপনার যদি ক্লিনিক ডায়গোনস্টিক ব্যবসা থাকে কিংবা করার প্লান থাকে
৩) যদি আপনি সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির প্রয়োজন অনুভব করেন
৪) যদি উদ্দোক্তা হওয়ার ইচ্ছা থাকে
৫) যদি মনে করেন আপনার ব্যবসায়িক স্কিল বাড়ানোর দরকার
৬) উচ্চ শিক্ষা নিয়ে মানসিক যন্ত্রনা প্রশমন করতে
৭) নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলতে
পড়াশুনা কখনো মূল্যহীন হয় না। বরং উপযুক্ত ব্যবহারে এটি নিজের জীবন যাপন ও সামাজিক মূল্য বৃদ্ধি করে। নিজের পেশা যদি পরিবর্তন করতে আগ্রহী না হোন, আবার যদি উচ্চ শিক্ষায় প্রচুর আগ্রহ থাকে, স্মার্টলি এমবিএ আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো।

সুইডেনে বিনা খরচে পড়াশোনা, সাথে পাবেন ৯১ হাজার টাকা প্রতি মাসে

সুইডেনে বিনা খরচে পড়াশোনা, সাথে পাবেন ৯১ হাজার টাকা প্রতি মাসে

উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন কার না থাকে। আর সেটা যদি হয় বিনা পয়সায় তাহলে তো আর কথাই নেই। যারা সুইডেনে পড়াশোনা করতে চান তাদের জন্যই : প্রতিবছর সুইডেন সরকার বিদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ দিয়ে থাকে।  কিভাবে পেতে পারেন সুইডেন সরকারের স্কলারশিপ?

The Swedish Institute Study Scholarships (SISS) সংক্ষেপে SI স্কলারশিপ নামে পরিচিত। এই স্কলারশিপের আবেদন করতে হবে ডিসেম্বরে।

স্কলারশিপের বর্ণনা : এই স্কলারশিপ দেয়া হয় মাস্টার্স স্টাডির জন্য। দুই বছর (চার সেমিস্টার) ফুল স্কলারশিপ দেয়া হবে। প্রথমে এক বছরের (দুই সেমিস্টার) বৃত্তি দেয়া হয়। পরবর্তীতে কোর্স ও সেমিস্টারের অগ্রগতির উপর ভিত্তি করে দ্বিতীয় বছরের বৃত্তি দেয়া হয়। কারণ অনেকে যথা সময়ে কোর্স ও পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করতে ব্যার্থ হয়।

যা পাবেন : প্রতি মাসে ১০,০০০ সুইডিশ ক্রোনর মানে ৯১ হাজার টাকা বৃত্তি দেয়া হয়। ভ্রমণের জন্য এককালীন ১৫০০০ সুইডিশ ক্রোনর বা ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯৩৮ টাকা দেয়া হবে।

আবেদন করবেন যেভাবে : আবেদনের প্রথম ধাপেই একটি সাইট সম্পর্কে খুব ভালো করে জেনে নেওয়া উচিত। সেটি হলো www.universityadmissions.se ; এখান থেকেই শুরু করতে হবে।

সাইটে গেলেই দেখা যাবে লেখা আছে, Start your journey here! এই সাইটে একটি একাউন্ট খুলতে হবে। এটা আবশ্যক(Must)। একাউন্ট খুলতে গেলে দুটি অপশন থাকে। বাংলাদেশ থেকে আবেদন করতে গেলে ডান দিকের অপশন ফলো করতে হবে (No I don’t have Swedish personal ID number!) একাউন্ট খুলে ফেলুন এখনই! মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ, নিজ নিজ একাউন্টের মাধ্যমে সকল প্রকার আবেদন করতে হবে।

দুইটি রাউন্ডে আবেদন করতে হবে ১৫ জানুয়ারী / ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২০, আনুমানিক ৩০০ স্কলারশিপ বৃত্তি পাওয়া যাবে

প্রথম রাউন্ডে উত্তীর্ণ হলে দ্বিতীয় রাউন্ডে আবেদনের পূর্বে আবেদন ফি বাবদ ৯০০ (নয় শত) সুইডিশ ক্রোনর pay করতে হবে। ব্যক্তিগত ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড না থাকলেও, ব্যাঙ্কের মাধ্যমে আবেদনের টাকা পে/ট্রান্সফার করা যাবে।
যা লাগবে : চারটি ডকুমেন্ট প্রস্তুত রাখতে হবে এখনই।
মোটিভেশন লেটার/কাভার লেটার(Motivation Letter), CV, দুইটি রেফারেন্স লেটার, পাসপোর্ট (স্ক্যান)। CV হতে হবে ইউরোপিয়ান স্টাইলে।

Motivation letter এবং রেফারেন্স লেটারের ফরমেট নিজের ইচ্ছেমতো হলে চলবে না। সেটার জন্যও নির্দিষ্ট ফরমেট(SI format) অনুসরন করতে হবে। নির্দিষ্ট ফরমেট খুঁজে নিন এই লিংকে:


Or


Swedish Institute
Masters Degree
Deadline: 15 Jan/20 Feb 2020
Study in: Sweden
Course starts August 2020

Scholarship description:

The Swedish Institute (SI) is now launching the Swedish Institute Scholarships for Global Professionals (SISGP), a new scholarship programme which replaces Swedish Institute Study Scholarships (SISS). SISGP offers scholarships to a large number of master’s programmes starting in the autumn semester 2020.

Host Universities/Institutions:

Swedish Higher Education Institutions and Swedish Universities

Level/Field(s) of study:

Check the list of about 650 eligible master programmes for the academic year 2020-2021.

Number of Scholarships:

An estimated 300 scholarships will be available.

Target group:

Students from the following countries:
Bangladesh; Bolivia; Brazil; Cambodia; Cameroon; Colombia; Ecuador; Egypt; Ethiopia; Gambia; Ghana; Guatemala; Honduras; Indonesia; Jordan; Kenya; Liberia; Malawi; Morocco; Myanmar (Burma); Nepal; Nigeria; Pakistan; Peru; Philippines; Rwanda; Sri Lanka; Sudan; Tanzania; Tunisia; Uganda; Vietnam; Zambia; Zimbabwe.

Scholarship value/inclusions/duration:

The scholarship covers tuition fees, living expenses of SEK 10,000 per month, insurance, and a one-time travel grant of SEK 15,000 (only for scholarship holders living outside Sweden). There are no additional grants for family members.
The scholarship is intended for full-time one-year or two-year master’s programmes, and is only awarded for programmes starting in the autumn semester.

Eligibility:

To be eligible for SISGP, you must have had at least 3,000 hours’ work experience prior to 3 February 2019 from a maximum of three organisations/companies.  Applicants must be from an eligible country (see above).  You must be able to demonstrate your previous leadership experience. The experience may be demonstrated through for instance previous work experience, or involvement in civil society organisations.

You must be liable to pay tuition fees to the universities, have paid the application fee for master’s programmes at University Admissions on time before 1 February 2019, and be admitted to one of the eligible master’s programmes by 3 April 2020.
Read more about the eligibility criteria at the official website.

Application instructions:

1. To begin with, apply for a master’s programme at universityadmissions.se, between 16 October 2018 – 15 January 2020.
2. Apply for an SI scholarship between 10-20 February 2020, following the instructions at the official website. The application form will be available in January 2020.

It is important to visit the official website for detailed information on how to apply for this scholarship.
Website:

Official Scholarship Website: 


Blog Writer : Naymul Hasan

Food Science & Nutrition Science Course

Food Science & Nutrition Science Course

বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে Food Science & Nutrition Science Course এ ভর্তি পরীক্ষায় যারা উত্তীর্ণ হয়েছেন তাদের জন্য প্রথমে যে কথাটি বলতে হয়, এই মুহূর্তে ডিএমএফ জাতীর মধ্যে আপনারাই সবচেয়ে বেশী সৌভাগ্যবান। কোন রকম হতাশ হওয়ার কারণ নেই। উচ্চ শিক্ষার এই সুযোগটা মহান আল্লাহ আপনাদের দিয়েছেন যখন একটা জাতী সম্পূর্ণভাবে হতাশাগ্রস্থ। আমরা যারা বিভিন্ন ভাবে বাই পাস উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করে পেশা পরিবর্তন করেছি, আমরাই বুঝি উচ্চ শিক্ষার মূল্য কি? 

বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় কোন সাধারন বিশ্ববিদ্যালয় নয়। পৃথিবীর অনেক দেশে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রী ও সনদ স্বীকৃত। সুতরাং মন খারাপ করার কোন কারণ নেই। ব্যচেলর শেষ করে মাস্টার্স করার সুযোগটাও পাচ্ছেন। 

ছোট একটা স্বপ্ন থেকে একটা বড় স্বপ্ন দেখা শুরু করেছেন। এই স্বপ্ন দেখাটা কখনো থামবেন না। এই কোর্স করে কি করব? কি সুযোগ আছে? এই সব প্রশ্ন কখনো মনে আনবেন না। আপনার চার বছরের কোর্স ভালোভাবে শেষ করুন। এর মধ্যে অনেক সুযোগ আপনাকে হাতছানী দিয়ে ডাকবে। আপনি বিদেশেও উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের সুযোগ পাবেন। 

এই কোর্স করে সরাসরি যে সকল সেক্টরে কাজ করতে পারবেনঃ

Food Science & Nutrition Job options
Jobs directly related to your degree include:
• Food technologist
• Naturopath
• Nutritional therapist
• Product/process development scientist
• Quality manager
• Regulatory affairs officer
• Scientific laboratory technician
• Technical brewer
• Animal nutritionist
• Community education officer
• Health promotion specialist
• International aid/development worker
• Medical sales representative
• Nutritionist

এই কোর্স করে অন্যান্য যে সকল সেক্টরে কাজ করার সুযোগ পাবেনঃ

Jobs where your degree would be useful include:
• Production manager
• Purchasing manager
• Research scientist (life sciences)
• Toxicologist
• Catering manager
• Dietitian
• Health service manager
• Herbalist
• Personal trainer
• Product/process development scientist

Typical employers

The main employers of food science and Nutrition graduates are food manufacturers, producers and retailers. Technical service providers and government departments concerned with developing food policy and enforcement processes also offer employment.
Food science graduates also work in a range of areas in the land-based sector, which encompasses agriculture and animals as well as fresh produce, food service and retail.
Other employers operate in the industrial and scientific sectors. The National Health Service and private healthcare organisations offer employment opportunities - particularly for roles such as a nutritional therapist.

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফুড সায়েন্স এন্ড নিউট্রিশনে গ্র্যাজুয়েশন, পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন পাশ করে গ্র্যাজুয়েট, পোস্ট গ্র্যাজুয়েটগণ নিম্নলিখিত কর্মক্ষেত্রে আত্মনিয়োগ করতে পারবেন:
★ প্রফেশনাল নিউট্রিশনিস্ট ও ডায়েটেশিয়ান হিসেবে সরকারি হাসপাতাল, বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক সমূহে চাকরি করা সহ নিউট্রিশন- ডায়েট বিষয়ক প্রাইভেট চেম্বার প্র্যাকটিস করতে পারবেন।
★ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিসিএস পরীক্ষা দিতে পারবেন।
★ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, জেনারেল হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের নির্বাহী সেক্টরে চাকরি করতে পারবেন।
★ রিলেটেড বিষয়ে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে শিক্ষকতা করতে পারবেন।
★ প্রথম শ্রেণীর সমমান সকল সরকারি চাকরিতে আবেদন করতে পারবেন।
★ বেসরকারি চাকরি করতে পারবেন।
★ বিদেশে চাকরি করতে পারবেন।
★ পরবর্তীতে পি.এইচ.ডি ডিগ্রি স্কলারশিপ সহ বা ছাড়া দেশের কিংবা বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে করতে পারবেন।

নিউট্রিশনিস্ট হতে হলে আপনাকে বিএমডিসি এর মত (বিএমডিসি নয়) কোন গভরনিং বডি’র রেজিশট্রেশন নিতে হবে। দুঃখিত, আমার জানা নেই বাংলাদেশে এই ধরনের কোন প্রতিষ্টান আছে কিনা। 
এই কোর্সের ক্যারিয়ার নিয়ে আরো বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন 


এই আর্টিকেলটি পড়ুন

Why I choose Nutrition and Food Science & What Career Paths a Degree in Nutrition Can Lead You To!


Blog Writer : Syed J Hossain